HOW THEY BRAINWASH YOU TO BELIVE IN SHARIA LAW – WOMEN HAS NO RIGHT

অােয়শা একজন ধার্মিক মেয়ে, সে মাদ্রাসায় পড়ে। মাদ্রাসায় পাঁচ ওয়াক্ত নামাজ ও বোরকা পরা বাধ্যতামূলক, নিয়মিত সে দরস নেয় হুজুরদের কাছ থেকে। একদিন হুজুর বল্লেন; কাফের নাস্তিক ইহুদি নাসারাদের তৈরি জিনিসপত্র ব্যাবহার করা হারাম। অায়েশা চিন্তায় পড়ে গেল কারণ তার হাতের স্মার্টফোনটি কাফেররাই তৈরি করেছে, তার ফেইসবুকে এ্যাকাউন্ট অাছে সেই ফেইসবুকের অাবিষ্কারক ও একজন কাফের। তবুও অায়েশা এসব ছাড়া চলতে পারেনা কখনো কখনো অাল্লাহ রাসূলের অাইন মানতে গেলে জীবনে চলা দায় হয়ে যায়। অায়েশা ফেবুতে বাঁশেরকেল্লা, রেডিওমুন্না, নয়াদিগন্ত সহ অারো অনেক ইসলামিক পেইজে লাইক দিয়ে রেখেছে, সেসব পেইজে ফতোয়া দেওয়া হয় কাফেরদের তৈরি জিনিস ব্যাবহার করলে কোন সমস্যা নাই….. অায়েশা কনফিউজড! তবুও অায়েশা তাদের ফতোয়াকেই অগ্রাধিকার দেয় হুজুরের লেকচারের উপরে। সেসব ইসলামিক পেইজে প্রায় ঘটা করে প্রকাশ করা হয় ধর্ষণে শীর্ষ দশ দেশের নাম নেই কোন মুসলিম দেশ! গর্বে বুক ফুলে যায় অায়েশার… একজন মুসলিম হয়ে গর্বিত অায়েশা। বোরকা পরে অায়েশা অনেক নিরাপদ বোধ করে, অায়েশা মনে মনে চায় ;ইশ যদি পৃথিবীর সকল নারী বোরকা পরতো তবে কোন নারীই ধর্ষনের শিকার হতনা! দিনকাল ভালোই যাচ্ছিল অায়েশার.. হঠাৎ একদিন এক ঝড় এসে অায়েশার জীবন ওলটপালট করে দিলো, নিজের শরীরের প্রতি ঘৃণা হচ্ছে অায়েশার… যতবর কথাটা মনে পড়ছে ততবারই বমি অাসছে অায়েশার! বিশ্বাস করতে কষ্ট হচ্ছে তাকে দরস দেওয়া হুজুরই তাকে ধর্ষণ করেছে।
অনেক কষ্টে নিজেকে সামলে নিয়ে অায়েশা মুহতামেম(প্রিন্সিপাল) হুজুরের নিকট বিচার নিয়ে গেল, মুহতামেম হুজুর বল্লেন; চারজন শাক্ষী উপস্থিত কর! অায়েশার মাথায় অাকাশ ভেঙ্গে পড়ল… কারণ হুজুর তো তাকে গোপনে ধর্ষণ করেছে, এই ঘটনা হুজুর অার সে ব্যাতিত কেউ জানেনা। চারজন শাক্ষী উপস্থিত করতে না পারায় উল্টো ফেঁসে গেছে অায়েশা, এখন তাকে মিথ্যা অভিযোগের দায়ে অাশিটি বেত্রাঘাত করা হবে। অায়েশা মাদ্রাসা থেকে পালিয়ে এসেছে, অায়েশা জানে বাসায় ও তার কথা কেউ বিশ্বাস করবেনা, থানায় গিয়ে মামলা দায়েরের প্রশ্নই অাসেনা তবে যে মানসম্মান যাবে অায়েশারই এবং তার পরিবারের এমনটাই প্রচলিত মুসলিম দেশ সমূহে, অতএব অায়েশা তার এই কষ্ট কবর দিয়ে দেয়। এবার অায়েশা ভাবতে লাগলো কেন ধর্ষণের বিচার হয়না, ইসলামের দৃষ্টিতে ধর্ষণের বিচার কেমন এসব খুঁজতে লাগলো অায়েশা..
একটা অার্টিকল পড়তে শুরু করলো অায়েশাঃ
সৌদি
তে বাংলাদেশ থেকে পাঠানো
হাউসমেড রা নিয়মিত ধর্ষিত হচ্ছে
কারণ শরিয়া আইনে ক্রীতদাসী
ভোগ বৈধ ! সেগুলো কে ধর্ষণের
কাতারে ফেলা হয় না । আর সৌদি
তে একটা মাত্র জাতীয় পত্রিকা
আছেই যা বাদশা দ্বারা
পরিচালিত , অন্য কোন পত্রিকা নেই
। কিভাবে ধর্ষণের খবর বাইরে
আসবে ? শরিয়া আইনে কোথাও
ধর্ষণের কথা উল্যেখ নেই , আছে
জেনার উল্যেখ । ধর্ষণ আর জেনা কি
এক জিনিস ? শরীয়া আইনে ধর্ষণের বিচার মৃত্যুদণ্ড
হলেও বিচার না পাওয়ার সম্ভাবনাই
বেশি, উল্টো ফেঁসে যেতে হতে
পারে ধর্ষিতাকে।আসুন শরীয়া
আইনে ধর্ষণের বিচার সম্পর্কে
জেনে নেই। শরিয়া আইনকে তিন
ভাগে ভাগ করা হয় যথাঃ ১)হুদুদ, ২)
কীসাস ও ৩) তাজির। যে সকল
অপরাধের শাস্তি কোরআনে
আসেনি সেগুলো শরীয়া আইনের
তাজির অংশের অন্তর্ভুক্ত। সুতারং
ধর্ষণের বিচার এর আওতা মুক্ত। ধর্ষণের
বিচার হবে হুদুদ ও কীসাস অনুসারে।
.
হুদুদ অনুসারে ধর্ষণের শাস্তি মৃত্যুদণ্ড
এবং মিথ্যে অভিযোগ হলে
নারীকে দেয়া হবে আশিটি
বেত্রাগাত। নারীকে প্রমাণ করতে
হবে তিনি ধর্ষিত হয়েছেন এবং তার
জন্য তাকে চারজন সাক্ষী নিয়ে
আসতে হবে, অবশ্যই তাদের পুরুষ হতে
হবে।যারা নারীর যোনিতে লিঙ্গ
প্রবেশ দেখেছে। অন্যথায় নারীর
বিচার হবে মিথ্যে অভিযোগ আনার
জন্য এবং যেনার জন্য। শরিয়া
মোতাবেক যেনার শাস্তি
অবিবাহিত হলে একশ বেত্রাঘাত
এবং বিবাহিত হলে পাথর ছুড়ে
হত্যা।
.
পাকিস্তানের ইসলামি আইনে ধর্ষণ
নিয়ে সংবিধানের ধারাটি হল
“Proof of zina liable to hadd shall be in one of
the following forms, namely:-
(a) the accused makes before a Court of
competent jurisdiction a confession of the
commission of the offence; or
(b) at least four Muslim adult male witnesses…
give evidence as eye-witnesses of the act of
penetration necessary to the offence:
Provided that, if the accused is a non-Muslim,
the eye-witnesses may be non-Muslims.”
(Article 8 of The Offence of Zina (Enforcement
Of Hudood) Ordinance, 1979, Ordinance No. VII
of 1979)”
কীসাস হল খুনের বদলে খুন টাইপের
আইন। এখানে সব থেকে বড় সুবিদা হল
ব্লাড মানি দিয়ে ওভিযোগ থেকে
মুক্তি। এই আইনে অনার কিলিং বৈধ।
মেয়ে ধর্ষিত হয়েছে, পালিয়ে
বিয়ে করছে, বিয়েতে সম্মত হয়নি
অনার কিলিং এর নামে মেরে
ফেলুন। আইন বাধা দিবে না। এমনকি
জিজ্ঞেসও করবে না। সৌদির এক
ধর্মপ্রচারক ফায়ান আল গামাদি
নিজের ৫ বছরের মেয়ে লামাকে
ধর্ষণ করার পর শারীরিক নির্যাতন
করে মেরে ফেলে। সৌদির আইন
শাস্তি স্বরুপ ৩৭ লাখ টাকা ব্লাড
মানি নির্ধারণ করে দিয়ে তাকে
মুক্তি দিয়েছে। এও বলে দিয়েছে
লামা ছেলে হলে এর দ্বিগুণ ব্লাড
মানি দেয়া হত। ব্লাড মানি পাবে মেয়ের মা।
এসব পড়ে অায়েশার মাথা ঘুরতে লাগলো… তবে ঘটনা এই! অালোর নীচে অন্ধকার। তাইতো বলি ধর্ষণে শীর্ষ স্থান অধিকারী দেশের তালিকায় কোন মুসলিম দেশ নেই কেন! অায়েশা অারো কৌতুহলী হয়ে উঠল সে অারেকট অার্টিকল পড়তে অারম্ভ করলোঃ
বাদে দুজন প্রাপ্ত বয়স্ক মানব
মানবীর যৌনতা ইসলামে নিষিদ্ধ …
কিন্তু মজার ব্যাপার হলো … ধর্ষন
অনুমদিত । কিছু কিছু ক্ষেত্রে ..
মেয়েটির ধর্ষিত হওয়া বাধ্যতামূলক।
যেমনঃ
১) বিবাহিত স্ত্রী … সে না
চাইলেও স্বামীর সাথে স্বামীর
ইচ্ছামত যৌনতা করতে বাধ্য … নইলে
সারা রাত ফেরেশতা ঐ স্ত্রীকে
অভিশাপ দিবে ( মানে … মাইর)
২) যুদ্ধ বন্দিনী নারী … তাদের ধর্ষন
অনুমদিত … যেহেতু নবী করেছেন
(সহি বুখারি, ভলিউম-৫, বুক নং-৫৯,
হাদিস নং-৬৩৭:)।
৩) ক্রীতদাসী …. তাদের সাথে
যৌনতা করা … খুবই স্বাভাবিক.. এটা
স্ত্রীরাও মেনে নিয়েছিলেন ।…
(সূরা নিসা )
অর্থ্যাত … স্বামী বা মালিক যখনই …
চাইবে …তখনই .. স্ত্রী অথবা যুদ্ধ
বন্দিনী নারী বা ক্রীতদাসীর
( এরাও আগে যুদ্ধ বন্দিনী হয় … অথবা
ক্রীতদাসির সন্তান ) অবশ্যই ঐ যৌন
আহ্বানে সাড়া দিতেই হবে … ।
এতে কোন আপত্তি চলবে না …. এটা
আসলে ধর্ষন।
এছাড়া … অন্য কোন মেয়েকে ধর্ষন
করতে চাইলেও কোন সমস্যা নাই ..
কারন চারজন চাক্ষুষ সাক্ষী ঐ
মেয়েটি জীবনেও আনতে পারবে
না …। ফলে ধর্ষক খুব সহজেই বলতে
পারবে … ঐ মেয়েটি যৌনতার জন্য
দায়ী … মানে মেয়েটির পোশাক
আশাক …ইত্যাদি …এবং এই অপরাধের
শাস্তি … শুধু মেয়েটার … পাথর
মেরে হত্যা …।।।
তাই … ইসলামিক দেশে কোন ধর্ষনের
অভিযোগ নাই ….।। পুলিশের খাতায়
নেই কোন … ধর্ষন মামলা …।।।
আপনি চাইলে সৌদি ফেরত কোন
মহিলা কাজের মেয়েকে
জিজ্ঞেস করে দেখতে পারেন …
কভাবে সৌদি বাপ-বেটা
…কাজের মেয়েদের ধর্ষন করে ….
এটা তাদের অধিকার… ইসলাম ধর্ম
তাদের এই পবিত্র অধিকার
দিয়েছে।
ধর্ষন আমেরিায়ও হয় …তবে সেখানে
বিচার চাওয়া ও পাওয়ার ব্যবস্থা
আছে …।।।
এখন অার অায়েশার বুঝতে বাকী নেই,
ইসলাম হল সুগার কোটেড পয়জন।
অায়েশা এখন নাস্তিক, সবাই বলুন চুবানাল্লা।HOW

Advertisements

Leave a Reply

Fill in your details below or click an icon to log in:

WordPress.com Logo

You are commenting using your WordPress.com account. Log Out / Change )

Twitter picture

You are commenting using your Twitter account. Log Out / Change )

Facebook photo

You are commenting using your Facebook account. Log Out / Change )

Google+ photo

You are commenting using your Google+ account. Log Out / Change )

Connecting to %s